free tracking

ভারতের তেল কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করলো যুক্তরাষ্ট্র!

মুখে বন্ধুত্বের বার্তা দিলেও কাজে আসেনি নরেন্দ্র মোদির আগ বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফর। ভারতের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা দেশটির জ্বালানি খাতকে বড় ধরনের চাপে ফেলবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে লেনদেনের কারণে ভারতের চারটি তেল কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন বরাবরই ভারতের নীতির কঠোর সমালোচক ছিল। বিশেষ করে, ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কের টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ভারতের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা আসার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। মোদির পররাষ্ট্রনীতিকে ব্যর্থ বলে অভিহিত করছেন বিরোধীরা।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে ভারতের চারটি কোম্পানি— অস্টিনশিপ ম্যানেজমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড, বিএসএম মেরিন এলএলপি, কসমোস লাইন্স ইনকর্পোরেশন এবং ফ্লাক্স মেরিটাইম এলএলপি। এসব কোম্পানি ইরানের জ্বালানি খাতের সঙ্গে লেনদেন করছিল বলে অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্লেষকদের মতে, নরেন্দ্র মোদি সরকার বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করেছে। এর অংশ হিসেবে, ভারতীয় বাজারে মার্কিন পণ্যের শুল্ক ছাড় দিয়েছে দিল্লি, পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম ও জ্বালানি কিনছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। কিন্তু তাতেও ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের প্রতি নমনীয় হয়নি।

ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারতের জন্য কোনো ছাড় নেই। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নানা সুবিধা নিয়ে এসেছে ভারত, কিন্তু এখন থেকে সেটি আর চলবে না। অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদেরও দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

নতুন নিষেধাজ্ঞার ফলে ভারতের জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে মোদি সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এর প্রতিক্রিয়া জানায়নি। নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে ভারতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র ঃ https://www.youtube.com/watch?v=qnn1G9hg294

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *