free tracking

ড. ইউনূস ও মোদির পাশাপাশি বসা ছবি ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার ঝড়!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি বসা একটি ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

বিমসটেক সম্মেলনে দুই নেতা

ড. ইউনূস এবং নরেন্দ্র মোদি দুজনই বর্তমানে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন। ছবিটি মূলত ওই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজের সময় তোলা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সম্মেলনের কিছু ছবি শেয়ার করেন, যার মধ্যে ছিল এই ভাইরাল হওয়া ছবিটিও।

ছবিটিতে দেখা যায়, একই সারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ একে কূটনৈতিক সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে এ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করছেন।

সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া

বিশিষ্ট অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবিটি শেয়ার করে মজার ছলে লিখেছেন, ‘এসব ছবি প্রচার করে হৃদরোগীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না।’ তার এই মন্তব্যের পর ছবিটি নিয়ে আলোচনা আরও বেড়ে যায়।

প্রধান উপদেষ্টার ব্যস্ত কর্মসূচি

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সফরসঙ্গীদের নিয়ে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধান উপদেষ্টা। দুপুর ১২টার দিকে ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে পৌঁছালে থাইল্যান্ড সরকারের প্রতিনিধি দেমটির মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই তাকে স্বাগত জানান।

বিকেলে স্থানীয় সময় ৩টায় ড. ইউনূস বিমসটেক ইয়ুথ জেনারেশন ফোরামের কনফারেন্সে যোগ দেন। সেখানে তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, ‘নতুন সভ্যতা গড়তে হলে চাকরির পেছনে না ঘুরে উদ্যোক্তা হতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তরুণরা চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসে। দেশ বদলাতে চাইলে পরিচালনার পদ্ধতিও বদলাতে হবে।’

নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া

ভাইরাল হওয়া ছবিটি নিয়ে অনেকে ইতিবাচক মন্তব্য করলেও কিছু মানুষ একে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন। কেউ কেউ বলছেন, ড. ইউনূস এবং মোদির একসঙ্গে বসার বিষয়টি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। অন্যদিকে, সমালোচকরা বলছেন, এটি নিছক এক কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া আর কিছু নয়।

যদিও সরকার কিংবা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি, তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনাটি ভবিষ্যতের কূটনৈতিক আলোচনা ও পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *