free tracking

সেভেন সিস্টার্স ভাগ হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা ৮০ শতাংশ জানালেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা!

সেভেন সিস্টার এমনি ভালনারেবল এর উপর এখন আরও বেশি ভালনারেবল হয়ে যাবে এবং সেপারেটেড হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আমি বলব ৮০ শতাংশ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্নেল জগলুল আহসান।

গতকাল ফেস দ্য পিপলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

কর্নেল জগলুল বলেন, ইন্ডিয়ার রিয়েকশনটা স্ট্রং হবে। এখনইতো স্বাধীন হয়ে যাবে। আপনি শিলিগুড়িতে বন্ধ করে দেন আর বাংলাদেশ তারা আর কোনও অস্ত্র সাপ্লাই পাঠাতে পারবে না। দেখেন সে আলাদা হয়ে যায় কি না।

কেন এই বক্তব্য (ড. ইউনূসের সেভেন সিস্টার নিয়ে বক্তব্য) বা এই মন্তব্যটা নিয়ে এত বেশি তোলপাড় হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এটা যদি আমরা বুঝতে চাই তাহলে প্রথমেই আমাদেরকে বুঝতে হবে এই সাউথ এশিয়ান পাওয়ার ইকুয়েশন বা ব্যাল্যান্স অফ পাওয়ার এটা কীভাবে আছে?

দুই নাম্বার হচ্ছে ইন্ডিয়ান ওশন পার্টিকুলারলি সাউথ এশিয়ান রিজিওনাল রিলেটেড পার্ট এটা কেন হুঁশিয়ারি ইম্পরট্যান্ট এবং এখানে আমেরিকা, চায়না, ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তানের জিওস্ট্র্যাটেজিক অবজেক্টিভ গুলো কি এটা জানলে আমরা বুঝতে পারব কেন ইন্ডিয়া এটা নিয়ে এত তোলপাড় হয়েছে।

প্রথমে আসি পাওয়ার ইকুয়েশনে। আপনারা জানেন যে ১৯৯০ এর আগে কোল্ড ওয়ার এর সময় যে পাওয়ার ইকুয়েশনটা সেটা ছিল এখানে রাশিয়া, ইন্ডিয়া, আমেরিকা এবং পাকিস্তান। তারপর পাকিস্তান আর চায়না মিলে আরেকটা প্যারালাল পাওয়ার ব্যালান্স ছিল।

৯০ তে যখন কমিউনিজম ফল করল তখন পাকিস্তান থেকে সরে ইউএসএ এলো ইন্ডিয়ার কাছে। কারণ কোল্ড ওয়ার এরপরে ইউএস এর কাছে সবদিক থেকে শত্রু ছিল চায়না।কারণ চায়নাকে যদি সবদিক থেকে কন্ট্রোল করতে হয় আমেরিকার জন্য সবচেয়ে ভালো হলো ভারত। আর এজন্যই তখন ভারত-আমেরিকা পার্টনারশিপটা হল।

আচ্ছা এদিকে পাকিস্তান চায়নার সাথে রয়ে গেল এবং তার স্ট্র্যাটেজিটা হারিয়ে গেছে। তাই সে এখান থেকে সরে এসেছে ।

এখন দেখেন ইন্ডিয়ান ওশানটা কেন এত বেশি ইম্পরট্যান্ট । আমাদের বাংলাদেশের জিওস্ট্র্যাটেজিক ইম্পর্ট্যান্স কিন্তু এখানে বোঝা যাবে। আঠার’স ৯০ সালে নেপালের নেভাল স্ট্যাটেজিক্যান ম্যান, মহান বলে গেছেন যে ভারত মহাসাগর নিয়ন্ত্রণ করবে যে, সে সারাবিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করবে

ওনি এটা কেন বলছেন কারণ ৬টা মেইন চ্যানেল যেগুলোতে ৮০ পার্সেন্ট ওয়ার্ল্ড জাহাজ বা কার্গো ট্র্যাভেল করে সেটা হচ্ছে ইন্ডিয়ান ওশান দিয়ে ।

এটা হচ্ছে লার্জেস্ট পপুলেশন, উদীয়মান অর্থনীতি, সস্তা শ্রমবাজার এবং যেটা হচ্ছে যে মধ্য প্রাচ্যের জ্বালানি এখন ২য় হয়ে যাবে এবং টপ গ্রেড হবে হচ্ছে ইউরেনিয়াম। সেন্ট্রাল এশিয়া, আজারবাইজান এটা হচ্ছে সেন্ট্রাল ইউরেনিয়ামের বিষয় জড়িত আছে তাই এটা কন্ট্রোল করতে হবে। যে কারণে ইউক্রেন যুদ্ধ এবং অন্য ফ্যাক্টরগুলো আছে।

বাংলাদেশ এশিয়ার একদম পেটের ভিতরে ইন্ডিয়ান ওশন টেনে নিয়ে গেছে যার কারণে এখান থেকে সেন্ট্রাল এশিয়া শর্টস রোড হয়ে চীনের কুনমিং যাওয়া যায়।

এখানে সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট যেটা হচ্ছে মালাক্কা স্ট্রেট। যেটা দিয়ে চায়নার ৮০% তেল যায়। যেটাকে বলা হয় হচ্ছে চায়নার লাইফ লাইন।

এই জন্য ইন্ডিয়ান ওশন এর এই বেল্টকে নিয়ন্ত্রণের জন্য চায়না যে স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ফলো করে সেটা হচ্ছে স্ট্র্যাটেজি এনসারকেলমেন্ট৷ যেটাতে ইন্ডিয়া চায় নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে; চায়না যেন কোন আধিপত্য এখানে বিস্তার করতে না পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *